ঢাকা ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাছের নাম কেন ‘বাটা’ জানেন?

কাগজের খবর ডেস্ক:

বাটা মাছ

বাটা মাছ ছোট বা মাঝারি আকারের রুই জাতীয় মাছের গোত্রভুক্ত। এই মাছের পেট বা শরীর অন্যান্য বড় মাছের মতো খুব বেশি গোলগাল নয়, বরং এটি কিছুটা চ্যাপ্টা বা খাঁজকাটা ধাঁচের হয়। চ্যাপ্টা ও কিছুটা বাটির মতো অবয়ব হওয়ার কারণে লোকমুখে এই মাছ ‘বাটা’ নামে পরিচিতি পায়।

‘বাটা’ নামকরণের মূল কারণ হল এই মাছের বিশেষ শারীরিক আকৃতি। বাটা মাছ ছোট বা মাঝারি আকারের রুই জাতীয় মাছের গোত্রভুক্ত।

এই মাছের পেট বা শরীর অন্যান্য বড় মাছের মতো খুব বেশি গোলগাল নয়, বরং এটি কিছুটা চ্যাপ্টা বা খাঁজকাটা ধাঁচের হয়। চ্যাপ্টা ও কিছুটা বাটির মতো অবয়ব হওয়ার কারণে লোকমুখে এই মাছ ‘বাটা’ নামে পরিচিতি পায়। বাংলায় ‘বাটা’ বলতে অনেক সময় ছোটো, চ্যাপ্টা বা চেপে যাওয়া কোনও বস্তুকে বোঝানো হত। এই গঠন থেকেই এই প্রজাতির মাছের নামকরণ।

আরেকটি জনপ্রিয় মতবাদ অনুসারে, এই মাছটির নদী বা জলাশয়ের তলদেশ থেকে খাবার গ্রহণ করার একটি বিশেষ স্বভাব রয়েছে। বাটা মাছ জলের একদম নিচে থাকা কাদা, শ্যাওলা ও পলি ছেঁকে বা এক প্রকারের খাবার সংগ্রহ করে। এই বিশেষ আহার আচরণের কারণে অনেক অঞ্চলে একে বলা হতো ‘পাঁক-বাটা’ বা ‘বাটা’। বাটা মাছের বৈজ্ঞানিক নাম হলো ল্যাবিও বাটা। এটি ‘সাইপ্রিনিডি’ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মাছের নাম কেন ‘বাটা’ জানেন?

আপডেট সময় ০৭:০৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বাটা মাছ ছোট বা মাঝারি আকারের রুই জাতীয় মাছের গোত্রভুক্ত। এই মাছের পেট বা শরীর অন্যান্য বড় মাছের মতো খুব বেশি গোলগাল নয়, বরং এটি কিছুটা চ্যাপ্টা বা খাঁজকাটা ধাঁচের হয়। চ্যাপ্টা ও কিছুটা বাটির মতো অবয়ব হওয়ার কারণে লোকমুখে এই মাছ ‘বাটা’ নামে পরিচিতি পায়।

‘বাটা’ নামকরণের মূল কারণ হল এই মাছের বিশেষ শারীরিক আকৃতি। বাটা মাছ ছোট বা মাঝারি আকারের রুই জাতীয় মাছের গোত্রভুক্ত।

এই মাছের পেট বা শরীর অন্যান্য বড় মাছের মতো খুব বেশি গোলগাল নয়, বরং এটি কিছুটা চ্যাপ্টা বা খাঁজকাটা ধাঁচের হয়। চ্যাপ্টা ও কিছুটা বাটির মতো অবয়ব হওয়ার কারণে লোকমুখে এই মাছ ‘বাটা’ নামে পরিচিতি পায়। বাংলায় ‘বাটা’ বলতে অনেক সময় ছোটো, চ্যাপ্টা বা চেপে যাওয়া কোনও বস্তুকে বোঝানো হত। এই গঠন থেকেই এই প্রজাতির মাছের নামকরণ।

আরেকটি জনপ্রিয় মতবাদ অনুসারে, এই মাছটির নদী বা জলাশয়ের তলদেশ থেকে খাবার গ্রহণ করার একটি বিশেষ স্বভাব রয়েছে। বাটা মাছ জলের একদম নিচে থাকা কাদা, শ্যাওলা ও পলি ছেঁকে বা এক প্রকারের খাবার সংগ্রহ করে। এই বিশেষ আহার আচরণের কারণে অনেক অঞ্চলে একে বলা হতো ‘পাঁক-বাটা’ বা ‘বাটা’। বাটা মাছের বৈজ্ঞানিক নাম হলো ল্যাবিও বাটা। এটি ‘সাইপ্রিনিডি’ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।