ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেনীতে প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী সফর, উদ্বোধন হবে ১৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প

নিজস্ব সংবাদ :

বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ, সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্তকরণ এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে আজ বৃহস্পতিবার ফেনী সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এক দিনের এ সফরে জেলার পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সড়কপথে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘাটঘর-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ও করবেন।

এরপর দুপুর সোয়া ১টার দিকে পরশুরাম থেকে ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দুপুর দেড়টার দিকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

দুপুর ২টার দিকে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে রুফটপ সোলার প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। এরপর সেখানেই মধ্যাহ্নভোজ ও কিছু সময় বিশ্রাম নেবেন তিনি।

বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপকারভোগীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের পুরোহিতদের সম্মানিও হস্তান্তর করা হবে।

সফর শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সড়কপথে ফেনী থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

১৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প

ফেনীর বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেওয়া ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’-এ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। গত ১৬ জুন একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখননের কাজ করা হবে। পাশাপাশি ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন ও ৭৭টি ইনলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর ১৭ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়। পরে নতুন করে ১ অক্টোবর সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফেনীতে প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী সফর, উদ্বোধন হবে ১৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প

আপডেট সময় ০২:৫৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ, সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্তকরণ এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণসহ একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে আজ বৃহস্পতিবার ফেনী সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এক দিনের এ সফরে জেলার পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বিভিন্ন সরকারি ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সড়কপথে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে পরশুরামের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘাটঘর-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ও করবেন।

এরপর দুপুর সোয়া ১টার দিকে পরশুরাম থেকে ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে দুপুর দেড়টার দিকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

দুপুর ২টার দিকে ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে রুফটপ সোলার প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। এরপর সেখানেই মধ্যাহ্নভোজ ও কিছু সময় বিশ্রাম নেবেন তিনি।

বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় উপকারভোগীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের পুরোহিতদের সম্মানিও হস্তান্তর করা হবে।

সফর শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সড়কপথে ফেনী থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

১৫৪২ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প

ফেনীর বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেওয়া ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’-এ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। গত ১৬ জুন একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়।

প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ এবং ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখননের কাজ করা হবে। পাশাপাশি ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন ও ৭৭টি ইনলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফর ১৭ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়। পরে নতুন করে ১ অক্টোবর সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।