ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনপ্রিয়তা বেড়েছে খুলনার ‘ডিম ঘোটা’র

কাগজের খবর ডেস্ক:

জনপ্রিয়তা বেড়েছে খুলনার ‘ডিম ঘোটা’র

‘ঘোটা ডিমের’ নাম শুনেছেন কখনো? মনে হতে পারে এ আবার কেমন ডিম! এটা কি আসলেই ডিম না অন্য কিছু? তবে এ ডিম নিয়ে যতই কৌতূহল থাকুক না কেন, এটা আসলেই ডিম। রন্ধন প্রণালীর কারণেই এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ঘোটা ডিম’।

পেঁয়াজ ও মরিচের সঙ্গে নানা ধরনের মসলা দিয়ে ভেজে তৈরি করা হয় অনন্য স্বাদের ‘ঘোটা ডিম’। খুলনা মহানগরীর নিউমার্কেটের পাশে বায়তুন নূর মসজিদ কমপ্লেক্সের সামনে সন্ধ্যার পর ভোজনরসিকদের ভিড় জমে এ খাবারকে কেন্দ্র করে।

মসজিদের পাশের জায়গাটুকু এখন ভোজনবিলাসিদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। এখানে শুধু ঘোটা ডিমই নয়, মিলছে নানা রকমের ফাস্ট ফুড, বিরিয়ানি, কফি, শরবতসহ আরও অনেক ধরনের খাবার। দোকানগুলোকেও সাজিয়ে তোলা হয়েছে নজরকাড়াভাবে।

প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয় এখানে ডিম বিক্রি। চলে রাত ১১টা নাগাদ। নানা আইটেমে এখানে ডিম বিক্রি হয়। সিদ্ধ, নরমাল ভাজি এবং ঘোটা ডিম। তবে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ঘোটা ডিম।

হাঁসের ডিম ২০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ১৮ টাকা আর ফার্মের মুরগির ডিম ১৭-১৮ টাকায় বিক্রি হয়। চার ঘণ্টার এ সময়ে তাদের আয় হয় এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা।

এখানে শুধু ঘোটা ডিমই নয়, বিক্রি হচ্ছে নানা ধরনের ফাস্ট ফুডের আইটেম। ফাস্ট ফুডের দোকানি ঢাকা স্পাইসের মালিক আব্দুল কাদের বলেন, এখানে তাদের ব্যবসা ভালোই চলছে। অনেক দূর থেকে তাদের কাছে ক্রেতারা আসছেন।

তিনি বলেন, এখানে যারা খেতে আসেন, তারা যাওয়ার সময় পরিবার-পরিজনদের জন্যও নিয়ে যান। অনেক সময় বাইরের অর্ডার অনুযায়ী খাবার সরবরাহও করা হয়।

সম্প্রতি বায়তুন নুর মসজিদ কমপ্লেক্সের সামনে গিয়ে দেখা যায়, মসজিদের পাশের সামান্য জায়গাটুকুতে ক্রেতাদের ভিড়। খোলা আকাশের নিচে বসে ঘোটা ডিমের স্বাদ নিচ্ছেন ভোজনরসিকরা। তবে এদের মধ্যে তরুণ-তরুণীদের সংখ্যাই বেশি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জনপ্রিয়তা বেড়েছে খুলনার ‘ডিম ঘোটা’র

আপডেট সময় ০৭:২৪:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘ঘোটা ডিমের’ নাম শুনেছেন কখনো? মনে হতে পারে এ আবার কেমন ডিম! এটা কি আসলেই ডিম না অন্য কিছু? তবে এ ডিম নিয়ে যতই কৌতূহল থাকুক না কেন, এটা আসলেই ডিম। রন্ধন প্রণালীর কারণেই এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ঘোটা ডিম’।

পেঁয়াজ ও মরিচের সঙ্গে নানা ধরনের মসলা দিয়ে ভেজে তৈরি করা হয় অনন্য স্বাদের ‘ঘোটা ডিম’। খুলনা মহানগরীর নিউমার্কেটের পাশে বায়তুন নূর মসজিদ কমপ্লেক্সের সামনে সন্ধ্যার পর ভোজনরসিকদের ভিড় জমে এ খাবারকে কেন্দ্র করে।

মসজিদের পাশের জায়গাটুকু এখন ভোজনবিলাসিদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। এখানে শুধু ঘোটা ডিমই নয়, মিলছে নানা রকমের ফাস্ট ফুড, বিরিয়ানি, কফি, শরবতসহ আরও অনেক ধরনের খাবার। দোকানগুলোকেও সাজিয়ে তোলা হয়েছে নজরকাড়াভাবে।

প্রতিদিন বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয় এখানে ডিম বিক্রি। চলে রাত ১১টা নাগাদ। নানা আইটেমে এখানে ডিম বিক্রি হয়। সিদ্ধ, নরমাল ভাজি এবং ঘোটা ডিম। তবে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ঘোটা ডিম।

হাঁসের ডিম ২০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ১৮ টাকা আর ফার্মের মুরগির ডিম ১৭-১৮ টাকায় বিক্রি হয়। চার ঘণ্টার এ সময়ে তাদের আয় হয় এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা।

এখানে শুধু ঘোটা ডিমই নয়, বিক্রি হচ্ছে নানা ধরনের ফাস্ট ফুডের আইটেম। ফাস্ট ফুডের দোকানি ঢাকা স্পাইসের মালিক আব্দুল কাদের বলেন, এখানে তাদের ব্যবসা ভালোই চলছে। অনেক দূর থেকে তাদের কাছে ক্রেতারা আসছেন।

তিনি বলেন, এখানে যারা খেতে আসেন, তারা যাওয়ার সময় পরিবার-পরিজনদের জন্যও নিয়ে যান। অনেক সময় বাইরের অর্ডার অনুযায়ী খাবার সরবরাহও করা হয়।

সম্প্রতি বায়তুন নুর মসজিদ কমপ্লেক্সের সামনে গিয়ে দেখা যায়, মসজিদের পাশের সামান্য জায়গাটুকুতে ক্রেতাদের ভিড়। খোলা আকাশের নিচে বসে ঘোটা ডিমের স্বাদ নিচ্ছেন ভোজনরসিকরা। তবে এদের মধ্যে তরুণ-তরুণীদের সংখ্যাই বেশি।